এইচপিভি সম্পর্কে
এইচপিভি দ্বারা সৃষ্ট বিভিন্ন অসুস্থতা সম্পর্কে জানুন।
এইচপিভি কী?
হিউম্যান প্যাপিলোমাভাইরাস বা এইচপিভি হলো একদল সাধারণ ভাইরাস।
এইচপিভি আমাদের শরীরের ত্বক এবং ভেতরের আস্তরণের কোষগুলোতে বাস করে। এর মধ্যে যৌনাঙ্গ, মুখ এবং গলা অন্তর্ভুক্ত।
টিকাদান কর্মসূচি না থাকলে প্রতি পাঁচজনের মধ্যে চারজনই তাদের জীবদ্দশার কোনো না কোনো সময়ে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হবেন ।
এই অ্যানিমেশনটি তরুণদের জন্য এইচপিভি এবং রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা সম্পর্কে তথ্য প্রদান করে।
এইচপিভি দ্বারা কী কী অসুস্থতা হয়?
এইচপিভি যৌনাঙ্গে আঁচিল সৃষ্টি করতে পারে। এই ধরনের এইচপিভি ক্যান্সার সৃষ্টি করে না।
এইচপিভি পরবর্তী জীবনে কিছু নির্দিষ্ট ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকিও বাড়িয়ে দিতে পারে।
এর মধ্যে রয়েছে:
- জরায়ুর ক্যান্সার
- মুখ ও গলার (মাথা ও ঘাড়ের) কিছু ক্যান্সার
- মলদ্বার এবং যৌনাঙ্গের কিছু ক্যান্সার
যেসব এইচপিভি প্রজাতি ক্যান্সারের কারণ হয়, তাদের সংক্রমণের ক্ষেত্রে লক্ষণগুলো সাধারণত দেরিতে প্রকাশ পায়।
এইচপিভি দ্বারা সৃষ্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ
এইচপিভি দ্বারা সৃষ্ট ক্যান্সারে কারা আক্রান্ত হন?
এইচপিভি দ্বারা সৃষ্ট ক্যান্সারে যে কেউ আক্রান্ত হতে পারে।
সকল লিঙ্গ, বয়স, জাতি ও সাংস্কৃতিক পটভূমির মানুষ এইচপিভি দ্বারা সৃষ্ট ক্যান্সারের চিকিৎসা নিচ্ছেন।
এই চলচ্চিত্রটি পিতামাতা/অভিভাবকদের এইচপিভি এবং এইচপিভি টিকা সম্পর্কে তথ্য প্রদান করে।
কীভাবে কেউ এইচপিভি-তে আক্রান্ত হতে পারে?
এইচপিভি সংক্রমণ খুবই সাধারণ এবং এতে লজ্জিত হওয়ার কিছু নেই।
ঘনিষ্ঠ যৌন সংসর্গের মাধ্যমে এইচপিভি সহজেই ছড়ায়। এর মধ্যে যৌনাঙ্গে ত্বকের সংস্পর্শ এবং যৌন মিলন অন্তর্ভুক্ত।
কারো এইচপিভি আছে কিনা, তা কীভাবে জানা যায়?
বেশিরভাগ মানুষই জানেন না যে তাঁরা এইচপিভি দ্বারা সংক্রমিত হয়েছেন, কারণ এতে তাঁদের কোনো অসুস্থতা বোধ হয় না। অজান্তেই একজনের পক্ষে অন্যজনকে সংক্রমিত করা সহজ।
দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কে থাকা ব্যক্তিরাও এইচপিভি দ্বারা সংক্রমিত হতে পারেন। এর কারণ হলো, এই ভাইরাসটি শরীরে দীর্ঘ সময় ধরে সুপ্ত অবস্থায় থাকতে পারে।
এই চলচ্চিত্রে পেনি তার জরায়ুমুখের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন।
এইচপিভি-র চিকিৎসা
বর্তমানে এইচপিভি-র কোনো প্রতিকার নেই। তবে এইচপিভি-র প্রভাব, যেমন যৌনাঙ্গের আঁচিল এবং জরায়ুমুখের ক্যান্সারের জন্য চিকিৎসা রয়েছে।
বর্তমানে সুরক্ষিত থাকার সর্বোত্তম উপায় হলো এইচপিভি টিকা গ্রহণ করা।
এই চলচ্চিত্রে স্টিভ এইচপিভি-র কারণে তার গলার ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার গল্পটি বলেছেন।
এইচপিভি পরীক্ষার জন্য কী কী ব্যবস্থা আছে?
২৫ বছর বা তার বেশি বয়সী নারী এবং যাদের জরায়ুমুখ আছে, তারা জরায়ুমুখের ক্যান্সার স্ক্রিনিং পরীক্ষা করানোর সময় এইচপিভি পরীক্ষাও করিয়ে থাকেন।
এইচপিভি টিকা নেওয়া থাকলেও নারী এবং যাদের জরায়ুমুখ আছে, তাদের জন্য জরায়ুমুখের স্ক্রিনিং করানো এখনও জরুরি।
এইচপিভি দ্বারা সৃষ্ট অন্যান্য ক্যান্সারের জন্য এনএইচএস-এ কোনো পরীক্ষা বা স্ক্রিনিং প্রোগ্রাম উপলব্ধ নেই। এর মধ্যে পুরুষদের প্রভাবিত করে এমন ক্যান্সারের পরীক্ষাও অন্তর্ভুক্ত।
এর কারণ হলো, বর্তমানে কোনো নির্ভরযোগ্য পরীক্ষা পদ্ধতি উপলব্ধ নেই।